• ১৮ চৈত্র ১৪৩২, শুক্রবার ০৩ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Road

কলকাতা

“নাম কাটা নিয়ে লড়াই চলবে”—রেড রোডে মমতার বক্তব্যে চড়ল পারদ

শুক্রবার ইদ-উল-ফিতর উপলক্ষে সকলকে শুভেচ্ছা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সামাজিক মাধ্যমে বাংলা ও উর্দুদুটি ভাষাতেই বার্তা দেন। সেখানে তিনি সকলকে পবিত্র ইদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।শনিবার কলকাতার রেড রোডে ইদের নামাজের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে আগের মতোই সক্রিয় ভূমিকা নিতে দেখা যায় তাঁকে। সেখানেই তিনি এসআইআর ইস্যুতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অনেক মানুষের নাম এই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং এই বিষয়ে তাঁরা সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি জানান, দেশের প্রতি তাঁর গর্ব রয়েছে এবং তিনি বিশ্বজুড়ে শান্তির বার্তা দিতে চান।রেড রোডে ইদের নামাজের প্রস্তুতি আগেই শুরু হয়েছিল। কলকাতা খিলাফত কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রতি বছরের মতো এ বারও যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী। নামাজ পরিচালনা করেন ইমাম কারী ফজলুর রহমান। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এক মাসের রোজা শেষে হাজার হাজার মানুষ এই নামাজে অংশ নেন।এদিকে ভোটের আবহে রাজ্য রাজনীতি ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত। এই পরিস্থিতিতে ইদের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী কী বার্তা দেন, সেদিকেও নজর ছিল রাজনৈতিক মহলের। একই সঙ্গে এদিন আবহাওয়াও ছিল প্রতিকূল। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রাজ্যের বেশিরভাগ জেলাতেই বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতাতেও বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে।এর মধ্যেই সম্প্রতি রাজ্যের পুরোহিত ও ইমাম মোয়াজ্জেমদের জন্য মাসিক ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, এই ভাতা পাঁচশো টাকা বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে এখন থেকে তাঁরা প্রতি মাসে দুই হাজার টাকা করে পাবেন। তাঁর কথায়, এই সম্প্রদায়ের মানুষ সমাজের আধ্যাত্মিক ও সামাজিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

মার্চ ২১, ২০২৬
কলকাতা

“নাম কাটা নয়, গর্দান কাটলেও ঝুঁকব না”—রেড রোডে বিস্ফোরক অভিষেক

শনিবার সকালে পবিত্র ইদের নামাজ উপলক্ষে কলকাতার রেড রোডে প্রতি বছরের মতো এ বারও ভিড় জমায় হাজার হাজার মানুষ। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এক মাসের রোজা শেষে ইদের নামাজে অংশ নেন বহু মানুষ। নামাজ পরিচালনা করেন ইমাম কারী ফজলুর রহমান।এই মঞ্চ থেকেই এসআইআর ইস্যুতে জোরালো বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, অনেক মানুষের নাম এই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং এই বিষয়টি নিয়ে তারা সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গিয়েছেন। তিনি জানান, দেশের প্রতি তাঁর গর্ব রয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিতে চান।অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই সম্প্রীতির উপর জোর দেন। তিনি বলেন, বাংলার ভ্রাতৃত্ববোধ ভবিষ্যতেও অটুট থাকা প্রয়োজন। তাঁর কথায়, উৎসব মানুষকে ভালোবাসা ও একতার শিক্ষা দেয়। তিনি বলেন, আপনার উৎসবে আমি থাকব, আমার উৎসবে আপনি থাকবেনএটাই বাংলার সংস্কৃতি। তিনি আরও বলেন, রমজানে যেমন রাম আছেন, তেমনই দীপাবলিতে আছেন আলি।এরপর এসআইআর ইস্যুতে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি। অভিষেক বলেন, নাম কাটা তো দূরের কথা, বড় ধরনের চাপ এলেও তাঁরা মাথা নত করবেন না। তাঁর দাবি, সরকার কারও মালিক নয়, সবাই এই দেশের সমান অধিকারী। তিনি বলেন, এই দেশে মন্দিরের ঘণ্টা ও মসজিদের আজান একসঙ্গে শোনা যাবেএটাই বাংলার ঐতিহ্য।তিনি আরও বলেন, কেউ বলছে হিন্দুরা বিপদে, কেউ বলছে মুসলমানরা বিপদে। কিন্তু তাঁর মতে, আসলে পুরো দেশই এখন সংকটের মধ্যে রয়েছে। এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে তিনি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।প্রতি বছরের মতো এ বছরও কলকাতা খিলাফত কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এই ইদের নামাজে যোগ দেন বহু মানুষ। রেড রোডে উৎসবের আবহের মধ্যেই রাজনৈতিক বার্তাও স্পষ্টভাবে উঠে আসে।

মার্চ ২১, ২০২৬
রাজনীতি

চন্দ্রকোনায় শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার অভিযোগ, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে ফাঁড়িতে ধর্না বিরোধী দলনেতার

পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার অভিযোগ ঘিরে শনিবার রাত থেকে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরাই এই হামলার সঙ্গে যুক্ত। ঘটনার প্রতিবাদে চন্দ্রকোনা রোড পুলিশ ফাঁড়িতে ঢুকে মেঝেতে বসে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন শুভেন্দু অধিকারী।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় পুরুলিয়া থেকে একটি জনসভা সেরে ফিরছিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। পথে গড়বেতা থানার অন্তর্গত চন্দ্রকোনা রোড বাজার এলাকায় তাঁর কনভয় পৌঁছতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাত প্রায় সাড়ে ৮টা নাগাদ চৌরাস্তার কাছে কনভয়ের পথ আটকানোর চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপির দাবি, লাঠি ও বাঁশ নিয়ে একদল তৃণমূল কর্মী শুভেন্দুর গাড়ির উপর চড়াও হন এবং আঘাত করা হয়।ঘটনাস্থলে দুপক্ষের মধ্যে স্লোগান-পাল্টা স্লোগান শুরু হয়। প্রকাশ্য রাস্তায় দীর্ঘ সময় ধরে উত্তেজনা চললেও পুলিশের তৎপরতা চোখে পড়েনি বলে অভিযোগ বিজেপির। পরিস্থিতি সামাল না পেয়ে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি চন্দ্রকোনা রোড পুলিশ ফাঁড়িতে ঢুকে পড়েন এবং সেখানেই অবস্থানে বসেন।ফাঁড়িতে বসেই তিনি পুলিশ কর্তাদের উদ্দেশে বলেন, দোষীদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত তিনি সেখান থেকে উঠবেন না। এসপি-সহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ আধিকারিকদের বিষয়টি জানাতে বলেন তিনি। ফাঁড়ির মেঝেতেই বসে আইনজীবী ডেকে অভিযোগপত্র লেখানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। যদিও অভিযোগপত্র গ্রহণ ও এফআইআর নথিভুক্ত করা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা বেঁধে যায়।প্রায় দুঘণ্টার বেশি সময় ধরে ফাঁড়িতে অবস্থান করেন বিরোধী দলনেতা। তিনি স্পষ্ট জানান, এফআইআর নম্বর হাতে না পাওয়া পর্যন্ত এবং কোন কোন ধারায় মামলা রুজু হচ্ছে তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি থানা ছাড়বেন না। খুনের চেষ্টার অভিযোগ-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজুর দাবিও তোলেন তিনি।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করে বলেন, খড়্গপুর ও ডেবরায় তাঁকে একাধিকবার আটকানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল, কিন্তু সফল হয়নি। চন্দ্রকোনায় এসে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বর্তমানে রাজ্যে নির্বাচিত বিধায়করাও নিরাপদ নন।ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থল ও ফাঁড়িতে পৌঁছয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোটা ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ করা হবে।এই ঘটনার জেরে চন্দ্রকোনায় রাজনৈতিক পারদ চড়েছে। বিজেপি ও তৃণমূলদুপক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তুলেছে, ফলে এলাকায় নতুন করে অশান্তির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
রাজ্য

টাকা তোলার অভিযোগ, পুলিশের পিছনে ধাওয়া! ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তিন জনের

পিছনে পুলিশের গাড়ি দেখে আরও গতি বাড়িয়ে দিয়েছিল লরি। নিয়ন্ত্রণ হারিয়েই সামনে থাকা টোটোতে সজোরে ধাক্কা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হল টোটোর তিন যাত্রীর। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বীরভূমের নলহাটিতে, রানিগঞ্জ-মোড়গ্রাম ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কে পালোয়ান বাবা মাজারের কাছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে রামপুরহাটের দিক থেকে নলহাটির দিকে যাচ্ছিল পেঁয়াজ বোঝাই একটি লরি। পালোয়ান বাবা মাজারের কাছে নলহাটি থানার পুলিশ প্রহরারত ছিল। অভিযোগ, পুলিশ লরিটিকে থামার নির্দেশ দেয়। কিন্তু চালক গাড়ি না থামিয়ে উল্টে আরও জোরে গাড়ি চালাতে শুরু করেন। পুলিশের একটি বাইক লরিটিকে ধাওয়া করে।পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে গিয়ে অতিরিক্ত গতিতে লরি চালাতে থাকেন চালক। ঠিক সেই সময় সামনে একটি টোটো চলছিল। টোটোতে চালক ছাড়াও আরও তিন জন যাত্রী ছিলেন। দ্রুতগতির লরিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থেকে আসা ওই টোটোতে ধাক্কা মারে। তীব্র ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে যায় টোটোটি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় টোটোর তিন যাত্রীর।দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নলহাটি থানার পুলিশ। কিন্তু পুলিশ পৌঁছতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। মৃতদের দেহ জাতীয় সড়কের উপর রেখে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকায় পুলিশের একাংশ পণ্যবাহী লরি থামিয়ে টাকা তোলে। সেই ভয়েই অনেক সময় লরিচালকরা বেপরোয়া ভাবে গাড়ি চালান। আর তারই পরিণতি হল এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা। পরে পুলিশ ও প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ উঠে যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৬
দেশ

ভয়াবহ! একের পর এক গাড়ি পিষে এগলো ডাম্পার—চিৎকারে কাঁপল জয়পুর

ভয়াবহ সড়কদুর্ঘটনায় কেঁপে উঠল রাজস্থানের জয়পুর। সোমবার দুপুরে লোহামান্ডি রোডে একটি বেপরোয়া ডাম্পারের ধাক্কায় মৃত্যু হল অন্তত দশ জনের। আহত হয়েছেন প্রায় পঞ্চাশ জন। তাঁদের মধ্যে বহুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সবাইকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। চিকিৎসকরা প্রাণপ্রত্যাশী লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।চোখের সামনে এতগুলো প্রাণ হারাতে দেখে শিউরে উঠেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। তাঁদের দাবি, ডাম্পারের চালক নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিল। প্রথমে একটি গাড়িকে ধাক্কা মারে। তারপর আর থামেনি। একের পর এক তিন-চারটি গাড়িকে গুঁড়িয়ে এগিয়ে যায় ভয়ঙ্কর ডাম্পারটি। মুহূর্তে রক্তমাখা লোহামুখী রাস্তায় হাহাকার। চিৎকার-আর্তনাদে ভরে যায় এলাকা। আতঙ্কে জীবন বাঁচাতে ছুটোছুটি শুরু করেন মানুষ।খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা। উদ্ধারকাজ চলছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এখনও হয়তো কয়েকজন ডাম্পারের নিচে আটকে থাকতে পারেন। ভারি যন্ত্র এনে গাড়ি সরানোর চেষ্টা চলছে। ডাম্পারচালককে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি সত্যিই মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন কিনা, তা খতিয়ে দেখতে মেডিক্যাল পরীক্ষা করানো হচ্ছে। পাশাপাশি গাড়ির নথিপত্রও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।রাজস্থানে যেন দুর্ঘটনার অভিশাপ নেমেছে। একদিন আগেই, রবিবার সন্ধ্যায় যোধপুরে মালা এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ১৮ জন পুণ্যার্থী। কোলায়াত মন্দির থেকে ফেরার পথে তাঁদের ট্রাভেলার গাড়ি ধাক্কা মারে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে। এখনও সেই শোক কাটেনি রাজস্থানের মানুষের। তার মধ্যেই ফের মৃত্যুপুরীতে পরিণত হল জয়পুরের ব্যস্ত রাস্তা।দেশজুড়ে প্রশ্ন উঠছেকেন এত প্রাণ হাঁটুর চাপে? কেন রাস্তায় এত নেশাগ্রস্ত চালক? নিরাপত্তা কোথায়? আর কত পরিবারকে এভাবে ভেঙে পড়তে হবে? এই রক্তাক্ত ছবিই হয়তো আবারও মনে করিয়ে দিলজীবন সেকেন্ডের খেল, আর গাড়ির স্টিয়ারিং ভুল হাতে পড়লেই সর্বনাশ অনিবার্য।

নভেম্বর ০৩, ২০২৫
রাজ্য

বারুইপুরে রেসিং বাইকের ধাক্কায় মর্মান্তিক মৃত্যু পথচারীর

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে রেসিং বাইকের ধাক্কায় মৃত্যু হল এক পথচারীর। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম জয়ন্ত মন্ডল (৫০)। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বারুইপুর থানার অন্তর্গত বিশালক্ষী তলা এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন জয়ন্তবাবু। সেই সময় পিছন দিক থেকে বেপরোয়া গতিতে ছুটে আসে একটি রেসিং বাইক। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে ওই পথচারীকে। প্রবল আঘাতে তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়ে যান। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে তড়িঘড়ি বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর বাইকচালক পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু স্থানীয়রা সক্রিয় হয়ে তাঁকে ঘাতক বাইকসহ ধরে ফেলে এবং পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে বারুইপুর থানার পুলিশ বাইকচালককে আটক করে। বর্তমানে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।অকস্মাৎ মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। প্রতিবেশীরা জানান, জয়ন্তবাবু শান্ত স্বভাবের মানুষ ছিলেন। রোজকার মতো বাজার সেরে ফিরছিলেন, তখনই ঘটে যায় এই দুর্ঘটনা। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকায় প্রায়ই বেপরোয়া বাইক দৌড় চলে। প্রশাসন এ বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নিলে এ ধরনের ঘটনা রোখা সম্ভব হবে বলে দাবি তাঁদের।এই মর্মান্তিক ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে রাস্তায় রেসিং বাইকের দৌরাত্ম্য নিয়ে। পুলিশের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, দুর্ঘটনার নেপথ্যে কারও গাফিলতি ধরা পড়লে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

জাতীয় সড়কে উড়ালপুলের দাবিতে রোড অবরোধ, নবানহাটে জনজোয়ার

আজ সকাল ৮টা থেকে পূর্ব বর্ধমানের মেটেল, নবাবহাট এলাকায় জাতীয় সড়কের উপর ব্যাপক রোড অবরোধ শুরু হয়েছে। মূল দাবিঅতি দ্রুত উড়ালপুল নির্মাণ। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করছেন, দীর্ঘদিন ধরেই ওই অঞ্চলের যানজট ও দুর্ঘটনার সমস্যা চরমে পৌঁছেছে। অথচ প্রশাসনের তরফে কোনো স্থায়ী সমাধান এখনও গৃহীত হয়নি।সকাল থেকেই প্রায় ৩,০০০-র বেশি মানুষ জাতীয় সড়কের উপর জড়ো হয়ে ব্যানার, প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ শুরু করেন। উড়ালপুল চাই, জীবনের নিরাপত্তা চাইএই দাবিতে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিদিন স্কুল, অফিস যেতে গিয়ে আমরা দুর্ভোগে পড়ি। বহুবার দুর্ঘটনা ঘটেছে এই রাস্তায়। উড়ালপুল না হলে ভবিষ্যতে আর বড় ক্ষতি হবে। এই অবরোধে প্রচুর ছাত্র ছাত্রী যগদান করেছে, জাতীয় সড়কের দুই প্রান্তেই হাজার হাজার লড়ি বাস প্রাইভেট কার আটকে আছে। দূর্ভোগের চূড়ান্ত অবস্থা।অবরোধের কারণে জাতীয় সড়কের দুদিকেই শতাধিক গাড়ি দাঁড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন।জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, অবরোধকারীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং শীঘ্রই একটি সমাধানে পৌঁছনোর চেষ্টা করা হবে।

জুলাই ২২, ২০২৫
রাজ্য

বেহাল দশা রাস্তার, রাস্তায় ধান রোপন করে অবরোধ ও বিক্ষোভ বিজেপির

বাগদার নাটাবেড়িয়া থেকে নদীয়ার আইসমালি পর্যন্ত রাস্তার বেহাল দশা, রাস্তা সংস্কারের দাবিতে পাঁচপোতাতে রাস্তায় ধান রোপন করে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ বিজেপির। অবিলম্বে রাস্তা সংস্কার না করলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি বিজেপির। যান চলাচল সাময়িক বন্ধ থাকায় ভোগান্তির শিকার সাধারণ মানুষ। প্রশাসনের আশ্বাসে এক ঘন্টা পর অবরোধ তুলে নেয় অবরোধকারীরা।উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার নাটাবেড়িয়া ও নদীয়ার রানাঘাটের মধ্যে সংযোগকারী রাজ্য সড়কের আইসমালী পর্যন্ত প্রায় ৭ কিলোমিটার রাস্তার বেহাল দশা। রাস্তার মাঝে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। যানবাহন চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। বেহাল রাস্তার কারণে প্রায় ঘটছে দুর্ঘটনা। দীর্ঘদিন রাস্তা সংস্কার করা হয়নি। সোমবার বিজেপি রাস্তা সংস্কারের দাবিতে নাটাবেরিয়া আইসমালি রাজ্য সড়কের পাঁচপোতাতে রাস্তায় ধান রোপণ করে অবরোধ শুরু করে। অবরোধকারীদের দাবি অবিলম্বে রাস্তা সংস্কার করতে হবে যতক্ষণ না পর্যন্ত প্রশাসন সংস্কারের আশ্বাস দিচ্ছে অবরোধ ততক্ষন চলবে। বিজেপি নেতা অমৃতলাল বিশ্বাস বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার করুণ দশা। মাঝেমধ্যেই দুর্ঘটনা ঘটছে, বিপদ বাড়ছে সাধারণ পথ চলতি মানুষের। বর্তমান সরকার রাস্তা সংস্কারের কোন সদিচ্ছা দেখাচ্ছেন না। অবিলম্বে এই রাস্তা সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি, রাস্তা সংস্কার না হলে আগামীতে সমগ্র বাগদার মানুষ এখানে এসে প্রতিবাদ জানাবে।বিজেপির পথ অবরোধ শুরু হতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বাগদা পুলিশ প্রশাসন। অবরোধকারীদের সাথে কথা বলে অবরোধ তোলার চেষ্টা করা হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। পরবর্তীতে বাগদা বিডিওর প্রতিনিধি এসে রাস্তা সংস্কারের আশ্বাস দিলে এক ঘন্টা পর অবরোধ তুলে নেয় বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। এই বিষয়ে ভিডিওর প্রতিনিধি হিসেবে আসা প্রশাসনিক কর্তা শুভেন্দু বিশ্বাস বলেন, বিজেপি যে দাবি রেখেছে সেই দাবি ন্যায্য দাবি। আমি বিডিও সাহেবকে ব্যক্তিগতভাবে এই বিষয়টি জানাবো। কর্তৃপক্ষ যে সিদ্ধান্ত নেবে সেই অনুযায়ী কাজ হবে।

জুন ২৩, ২০২৫
রাজ্য

ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা মুর্শিদাবাদে, দুমড়ে মুচড়ে গেল গাড়ি, মৃত চার

হাওড়া, পুরুলিয়ার পর মুর্শিদাবাদ। এই জেলার কান্দি- বহরমপুর রাজ্য সড়কের ওপরে কান্দি থানার অন্তর্গত গোকর্ণ পাওয়ার হাউস মোড় সংলগ্ন এলাকাতে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল ৪জনের। জানা গিয়েছে, বীরভূমের বেলে এলাকা থেকে স্নান করে ফিরছিলেন ২০ জন পুন্যাথীর একটি দল। রবিবার সকালে ট্রেকার করে স্নান করে বাড়ি ফেরার পথে একটি ডাম্পারের সঙ্গে ধাক্কা মারে এই যাত্রীবাহী ট্রেকারটি। ঘটনার জেরে গাড়ি চালকসহ মৃত্যু হয় মোট চারজনের।এখনও পর্যন্ত একজন পুরুষ ও তিনজন মহিলার মৃত্যু হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে বহরমপুর মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে চিকিৎসার জন্য। মৃত এবং আহতদের সকলের বাড়ি হরিহরপাড়া থানার রুকুনপুর বলে জানা গিয়েছে। আহত ১০ জনকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজন।

জুন ২২, ২০২৫
দেশ

ফুটপাথ দখলমুক্ত রাখতে সুপ্রিম কোর্টের কড়া বার্তা! গাইডলাইন তৈরির জন্য দু’মাস সময়সীমা বেঁধে দিল আদালত

ভারতের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট, সম্প্রতি দেশের সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে যে, ফুটপাথ বা পথচারি চলাচলের পথ যেন কোনোভাবেই দখল না হয়। এই রায়ের মাধ্যমে আদালত শুধু অবৈধ দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়নি, বরং নাগরিক অধিকারের পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও দিয়েছে।রায়ের মূল নির্দেশে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে:প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন তৈরি করতে হবে, যা ফুটপাথ ব্যবস্থাপনা ও হকার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সহায়ক হবে।স্থানীয় প্রশাসন, বিশেষ করে পুরসভা ও নগর উন্নয়ন সংস্থাগুলিকে সক্রিয় হয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে।হকারদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করতে হবে, যাতে জীবিকার অধিকার ও পথচারি অধিকারের মধ্যে সুষম ভারসাম্য বজায় থাকে।কেন এই রায় গুরুত্বপূর্ণ?১. সাধারণ মানুষের অধিকারের স্বীকৃতিফুটপাথ মূলত পথচারীদের জন্য। কিন্তু দেশের বহু শহরে ফুটপাথ দখল হয়ে যায় দোকান, হকার বা নির্মাণ সামগ্রী দ্বারা। এর ফলে সাধারণ মানুষের চলাচল বিঘ্নিত হয়। সুপ্রিম কোর্টের রায় এই রাইট টু মোভমেন্ট বা চলাচলের অধিকারকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিয়েছে।২. হকারদের জীবিকা বনাম জনসাধারণের সুবিধাহকাররা দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে হকারদের অনিয়ন্ত্রিত বসতি শহরের অবকাঠামোকে সংকুচিত করে। আদালত এ বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক সমাধান চেয়েছেহকারদের জন্য নির্দিষ্ট স্থান, এবং পথচারীদের জন্য মুক্ত রাস্তা।৩. শহরের পরিকল্পিত উন্নয়নফুটপাথ দখল মুক্ত হলে শহরের সৌন্দর্য, যানবাহন চলাচল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত হবে। এটি নগর উন্নয়নের অন্যতম প্রধান শর্ত।চ্যালেঞ্জ ও করণীয়অনেকেরই ধারণা রাজ্য সরকারগুলির নিষ্ক্রিয়তা দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যাকে আরও বাড়িয়েছে। অনেক রাজ্যে এখনও হকারদের রেজিস্ট্রেশন বা স্থান নির্ধারণের নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা নেই।অনেকে মনে করেন স্থানীয় রাজনীতি এবং ভোট ব্যাঙ্ক হিসাবেও হকার ইস্যু ব্যবহৃত হয়ে থাকে, যার ফলে প্রশাসনের মধ্যে দ্বিধা তৈরি হয়।বিশিষ্ট সমাজকর্মীদের আনেকের মতে, এই সমস্যার সমাধান হতে পারে একটি জাতীয় পর্যায়ের গাইডলাইন দিয়েই, যাতে সব রাজ্য তার ভিত্তিতে স্থানীয় নিয়মনীতি তৈরি করতে পারে।তাঁরা মনে করেন সুপ্রিম কোর্টের এই রায় নিঃসন্দেহে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এটি শহুরে পরিকাঠামো, নাগরিক অধিকার এবং জীবিকার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার এক বাস্তবসম্মত চেষ্টার প্রতিফলন। বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যদি রাজ্য সরকারগুলি আন্তরিক হয়, তবে ভারতের শহরগুলো আরও বাসযোগ্য, সুশৃঙ্খল ও মানবিক হয়ে উঠতে পারে।

মে ১৪, ২০২৫
রাজ্য

বড়সড় দুর্ঘটনা মালদায়, টোটোকে ট্রাকের ধাক্কায় মৃত ৩, জখম ১

মালদায় মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় তিনজন মৃত, আহত এক। বৃহস্পতিবার মালদার গাজলের হিয়াঘর এলাকায় ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়কে এক অজানা গাড়ি ধাক্কা দেয় টোটোকে। ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। একজন গুরুতর আহত হয়। যদিও ঘাতক গাড়িটির খোঁজ পাওয়া যায়নি। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ছয়টা নাগাদ।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দেওতলা এলাকার বেশ কিছু লোকজন গাজোলে যাচ্ছিল। কেউ যাচ্ছিল মাছ বিক্রি করতে, কেউ বা আবার আড়ৎ থেকে সবজি কিনতে যাওয়ার জন্য যাচ্ছিল। গাজোল যাওয়ার পথেই গঙ্গারামপুরগামী অজানা গাড়ি ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলে গাজোল থানার পুলিশ ছুটে যায়। মৃতদেহগুলোকে উদ্ধার করে গাজোল স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে। আহত ব্যক্তিকে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাঁর অবস্থা আশঙ্কা জনক। নাম নিজামুদ্দিন সেখ, বয়স ৫৫ । অন্যদিকে মৃতরা হলেন ললিত ভুইমালি (৬০), আলতাফ হোসেন (৪২), শামসুদ্দিন শেখ (৬০)।

মার্চ ০৬, ২০২৫
রাজ্য

তৃণমূলের রোড শোতে ধস্তাধস্তিতে তৃণমূল কর্মীরা! চরম বিশৃঙ্খলা মালদায়

বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর রোড শোতে ধস্তাধস্তিতে তৃণমূল কর্মীরা। অভিনেতা সোহমের রোড শোকে কেন্দ্র করে চরম বিশৃঙ্খলা। পুরাতন মালদার মঙ্গলবাড়ী বুলবুলি মোড়ের ঘটনা। মালদা লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী প্রসুন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে রোড শো করেন অভিনেতা সোহম। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন জেলা তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। আর সেখানেই শুরু হয় তুমুল বিশৃঙ্খলা। ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল কর্মীরা। তৃণমূল নেতৃত্ব কোনওরকমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।জানা গিয়েছে,এদিন উত্তর মালদা বিধানসভা কেন্দ্রের বুলবুলচন্ডি মোড় এলাকা থেকে উত্তর মালদার তৃণমুল প্রার্থী প্রসুন বন্দোপাধ্যায়ের সর্মথনে রোডশো শুরু করেন অভিনেতা তথা বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী। রোড শোয়ের শুরুতে সেলফী তুলতে ব্যাস্ত হয়ে পরে কর্মী সর্মথকেরা। এরপর পুরাতন মালদা পুরসভার চেয়ারম্যন কার্তিক ঘোষকে হুড খোলা রোড শোয়ের গাড়িতে উঠতে না দিয়ে প্রার্থী প্রসুনের সঙ্গে সোহমের গাড়িতে সঙ্গে ওঠেন দক্ষিন মালদার নেতারা। এরপরই সোহমের সামনেই কার্তিক অনুগামীরা চিৎকার ও ধাক্কাধাক্কি শুরু করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ছুটে আসেন জেলা তৃণমুল সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সি ও সহ সভাপতি দুলাল সরকার। যদিও কিছুক্ষন বাদেই পরিস্থিতি নিয়ন্থ্রনে আসে।

এপ্রিল ১৩, ২০২৪
রাজ্য

রেড রোডে ইদের অনুষ্ঠানে হাজির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার আবেদন

ইদের মঞ্চে ভোটের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলকেই ভোট দেওয়ার বার্তা দলনেত্রীর। বৃহস্পতিার কলকাতার রেড রোডে ইদের অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদায়ী সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে ওই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই এদিন তৃণমূলনেত্রী ফের একবার তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপিকে।বৃহস্পতিবার ইদের সকালে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে রেড রোডের অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছেন হয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে ফের একবার সিএএ, এনআরসি ইস্যুতে কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ইস্যুতে তৃণমূলনেত্রী বলেন, CAA, NRC চাই না। আমরা কোনও ভেদাভেদ চাই না। সবাই মিলে একসঙ্গে থাকতে চাই। সবাইকে এককাট্টা হতে হবে। একাধিক এজেন্সিকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনের আগে ভয়ের আবহ তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার, এমনই অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁর কথায় ,ভোটের আবহে ভয় দেখাতে চাইছে কেউ কেউ। ইডি, সিবিআই, আয়কর দফতর দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে। সবাইকে জেলে ঢোকাতে চাইছে। ভোটের সময় বেছে বেছে মুসলিম লিডারদের ফোন করে বলছে কি চাই? আমাদের সঙ্গে বিজেপির লড়াই এখানে। তৃণমূল ছাড়া একটা ভোটও অন্য কোনও দলকে দেবেন না।এবারের লোকসভা নির্বাচনে ৪০০-র বেশি আসন পার করে যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ, জেপি নাড্ডারা। বিজেপির সেই লক্ষ্যকে কটাক্ষ করে এদিন তৃণমূল সুপ্রিমো একুশের বিধানসভা ভোটের প্রসঙ্গ টেনে এদিন বলেন, বলেছিল এবার দুশো পার। সত্তরেই শেষ। এখন বলছে চারশো পার। আগে দুশো পার করে দেখাও।

এপ্রিল ১১, ২০২৪
রাজ্য

বিএমওএইচকে সরাতে পথ অবরোধ, কেন এই দাবি?

মালদার বামনগেলা ব্লকের বিএমওএইচকে বদলির দাবিতে মালদা-নালাগোলা রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা। গত মঙ্গলবার বামনগোলা ব্লকের মুদিপুকুর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসায় গাফিলতির জেরে এক রোগী মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে। আর সেই ঘটনার পর থেকেই স্থানীয় গ্রামবাসীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ ছড়াতে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার সকালে সেই অসন্তোষের আঁচ ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। এদিন মুদিপুকুর হাসপাতালের সামনে মালদা - নালাগোলা রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান শতাধিক গ্রামবাসীরা। এই পরিস্থিতির কথা জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বামনগোলা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ। এরপর বিওএমএইচের বদলিসহ বিভিন্ন দাবি নিয়েই সংশ্লিষ্ট ব্লকের ডেপুটেশন দেয় বিক্ষোভকারী গ্রামবাসীরা।গ্রামবাসীদের অভিযোগ, মুদিপুকুর গ্রামীন হাসপাতালটি এলাকার একমাত্র চিকিৎসা পরিষেবা কেন্দ্র। বামনগোলা থেকে মালদা মেডিকেল কলেজের দুরুত্ব প্রায় ৫০ কিলোমিটার। ফলে রাত-বেড়াতে অতি সহজেই রোগীদের মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে চরম সমস্যায় পড়তে হয়। এর জন্য অসংখ্য গ্রামবাসীদের কাছে মুদিপুকুর গ্রামীণ হাসপাতালে ভরসা। কিন্তু এই হাসপাতালের ঠিকমতো চিকিৎসা পরিষেবা মিলছে না। যার জন্যই এদিন বিএমওএইচ সুদীপ কুন্ডুর বদলি দাবি নিয়ে গ্রামবাসীরা সোচ্চার হন।পুলিশো স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত মঙ্গলবার মুদিপুকুর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীন এক রোগীর মৃত্যু হয় । মৃতের পরিবার এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, চিকিৎসার গাফিলতির জেরে ওই রোগীর মৃত্যু হয়েছে। আর তারপর থেকেই বিএমওএইচ-এর ওপর ক্ষোভ বাড়তে থাকে।যদিও এপ্রসঙ্গে বামনগোলা ব্লকের বিএমওএইচ ডা: সুদীপ কুণ্ডু কোনও মন্তব্য করেননি। পুলিশ জানিয়েছে কিছু মানুষ এলাকায় ক্ষোভ-বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। তাদের সঙ্গে কথা বলার পরেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৩
কলকাতা

সেক্টর ফাইভ-এ রোড ডাইভারসন, মেট্রোরেলের কাজের জন্য নয়া ঘোষণা

সম্ভবত শনিবার রাত থেকেই সেক্টর ফাইভ এর রোড ডাইভারশন হতে চলেছে। মেট্রোরেলের কাজের জন্যই এই সিদ্ধান্ত বলে জানান বিধান নগর ডিসি ট্রাফিক ইন্দিরা মুখার্জি। টেকনোপলিস মোড়ের আগেই কাজ হচ্ছে মেট্রোর। সেই কাজের জন্যই কলকাতা যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হবে আগামী ছয় মাসের জন্য। কলকাতা যাওয়ার জন্য আলাদা রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করার আবেদন জানায় বিধান নগর পুলিশ কমিশনারেট।বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসি ট্রাফিক ইন্দিরা মুখার্জি বলেন, টেকনোপলিস স্টেশনে মেট্রোর কাজ চলছে। এক সপ্তাহ হয়ে গিয়েছে এখানে কাজ শুরু হয়েছে। এখনও রাস্তা বন্ধ করা হয়নি মেট্রো কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। কিন্তু আগামীকাল থেকে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষর পক্ষ থেকে টেকনোপলিশের সামনের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হবে। এই রাস্তাটা এয়ারপোর্ট-এর দিক থেকে সল্টলেকের দিকে আসে তাদের জন্য প্রযোজ্য। রাস্তা দিয়ে যারা যাবেন তাদের জন্য ড্রাইভারসশন করা হচ্ছে। নিউটাউন নারকেল বাগান মোড় থেকে এমআর ধরে চিংড়িঘাটার দিকে যেতে পারে। আবার সল্টলেকের দিকে যেতে গেলে যেতে পারবে। আর একটা বিকল্প রাস্তা তৈরী হয়েছে নারকেল বাগান মোড় থেকে নতুন ব্রিজ ধরে গোদরেজ ওয়াটার সাইট রিং রোড ধরে এসডিএফ হয়ে চিংড়িঘাটা যাওয়া যায়।মেট্রো স্টেশন এর কাজের জন্য টেকনোপলিশ-এর সামনে লাল বক্স করে দেওয়া হয়েছে যেটা কলকাতা লেন পুরো বন্ধ থাকবে। নিউটাউন বক্স ব্রিজ থেকে নেমে কেয়া মোটর্স হয়ে ফিলিপস মোড়, আরএ সফটওয়্যার মোড় হয়ে কলকাতার দিকে যেতে পারেন। যদি কেউ মনে করে এলবি রোড বা সল্টলেকের দিকে যাওয়া প্রয়োজন তাহলে কেয়া মোটর্স এর সামনে হয়ে টেকনোপলিস বিল্ডিংয়ের ব্যাক সাইড দিয়ে নিজের গন্তব্যে পৌঁছে যেতে পারেন। ট্রায়াল রান শুরু হয়েছিল। প্রথম প্রথম একটু ডিলে হয়েছিল একটু কনফিউশন হয়েছিল। রোড ড্রাইভারসেশন দেওয়া আছে তাতেও যদি কারও অসুবিধা হয়ে থাকে ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের রুটিন নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন। শুধুমাত্র কলকাতা বাউন্ডের জন্য। এয়ারপোর্ট বাউন্ডে কোনও চেঞ্জ হচ্ছে না। এয়ারপোর্ট বাউন্ডে যখন কাজ শুরু হবে তখন আমরা জানিয়ে দেব। আমাদের এক্সট্রা পুলিশি ব্যবস্থা রাখা আছে। শনিবার রাতে ডার্বি ম্যাচের পর থেকে রাস্তাটা বন্ধ করে দেওয়া হবে এখনও পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়ে রয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২৩
রাজ্য

প্রশাসনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অবাধে চলছে বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য

বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্যে ক্ষুব্ধ এলাকার বাসিন্দারা। এক দিকে ওভার লোডিংয়ের জন্য রাস্তার বেহাল দশা। অপরদিকে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি। কার্যত প্রশাসনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অভাধে চলছে বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য।পূর্ব বর্ধমানের মেমোরি ২নম্বর ব্লকের ঘটনা। মুখ্যমন্ত্রীর নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়েই কার্যত প্রতিদিনই চলছে অতিরিক্ত বালি বোঝাই ট্রাক ও ডাম্পার। মোটা টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কাদের মদতে অতিরিক্ত বালি পাচার করা হচ্ছে তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। মেমারির দামোদরের বালি ঘাটগুলি থেকে ওভারলোডিং ট্রাক ও ডাম্পার গুলি পাল্লা রোড ধরে বিনা বাধায় ২ নম্বর জাতীয় সড়কে উঠছে। মেমারী থানার অন্তর্গত পাল্লা রোড সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে চারটি বালিঘাট।রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী স্নেহাশীষ চক্রবর্তী মাস তিনেক আগে বর্ধমানে এসে বৈঠকে ওভারলোডিং গাড়ি বন্ধের কথা জানিয়েছিলেন। তার কথায়, অতিরিক্ত বা ওভারলোডিং ট্রাক বা ডাম্পার চললে ক্ষতিগ্রস্ত হয় জাতীয় সড়কের মত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলি। ক্ষতিগ্রস্ত হয় সরকারি রাজস্বের। সুতরাং কোনভাবেই ওভারলোডিং গাড়ি চালানো যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু কোথায় সেই নজরদারী? আগের মতই প্রকাশ্যে ওভারলোডিং ট্রাক ও ডাম্পার চলছে। এবিষয়ে ড্রাইভারদের জিজ্ঞাসা করা হলে, তারা অকপটে স্বীকার করে নেয় ডাম্পারে অতিরিক্ত বালি নিয়ে যাছে। প্রশ্ন উঠছে সরকারি নিষেধাজ্ঞা সত্বেও কিভাবে প্রকাশ্যে চলছে ওভারলোডিং বালি।এই বিষয়ে জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, প্রশাসনকে আরো নজরদারি বাড়াতে বলা হবে। যাতে কেউ কোথাও ওভারলোড করতে না পারে।

নভেম্বর ২১, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান শহরে অস্ত্রসহ এক দুস্কৃতিকে গ্রেফতার

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সোমবার গভীর রাতে বর্ধমানের গুডশেড এলাকা থেকে অস্ত্রসহ এক দুস্কৃতিকে গ্রেফতার করলো বর্ধমান থানার পুলিশ। ধৃতের নাম আলী হোসেন, সে অসমের বাসিন্দা। ধৃতের কাছ থেকে একটি রিভালবার ও এক রাউণ্ড গুলি উদ্ধার করে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে ধৃত আলী হোসেন অস্ত্র বিক্রির উদ্দেশ্যে বর্ধমানে এসেছিল। মঙ্গলবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে তোলা হয়। সাত দিনের পুলিশি হেফাজত চেয়ে আদালতে আবেদন করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ।

নভেম্বর ১৫, ২০২২
রাজ্য

রাস্তা ও সেতু সংস্কারের দাবিতে সড়কপথ অবরোধ, ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়

দীর্ঘদিন ধরেই রাস্তার অবস্থা বেহাল। আর রাস্তা ও সেতু সংস্কারের দাবিতে বুধবার পূর্ববর্ধমানের আউশগ্রামে পথ অবরোধ করলেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা। এই ঘটনা ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। শেষে পুলিশের আশ্বাসে প্রায় আধঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।আউশগ্রাম কালীদহ রোডের সংস্কারের দাবিতে আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ একজোট হয়ে গুসকরা ইলামবাজার সড়কপথ অবরোধ করেন। কালীদহ থেকে আউশগ্রাম আসার এই রাস্তাটি জেলাপরিষদের অধীনে । প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তায় রয়েছে একাধিক সেতুও। স্থানীয়রা জানান আউশগ্রামের কালীদহ, সিলুট, বসন্তপুর, বেরেণ্ডা, কুড়ুম্বা, সোমাইপুর প্রভৃতি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করেন এই রাস্তা দিয়ে। এলাকাবাসীর অভিযোগ এই রাস্তাটি বহুকাল ধরেই সংস্কার হয়নি। রাস্তার ওপর বড়বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। সেতুগুলির অবস্থাও বেহাল। ফলে যাতায়াত করতে হিমসিম খেতে হচ্ছে।স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানান, কালীদহ আউশগ্রাম রাস্তায় কুনুর নদীর কাঁদরের ওপর সেতুরও বেহাল অবস্থা। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। সেতুর ওপর থেকে যানবাহন নদীতে পড়ে গিয়েছে কিছুদিন আগে। এমন বিপজ্জনক অবস্থার মধ্যে স্থানীয় গ্রামবাসীদের প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।অথচ বারবার প্রশাসনের কাছে আবেদন নিবেদন করেও কোনও সুরাহা মেলেনি। তারই প্রতিবাদে এদিন শুরু হয় অবরোধ। দাড়িয়ে পড়ে বেশকিছু যানবাহন। আউশগ্রাম ১ নম্বর বিডিও অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায় টেলিফোনে জানান জেলাপরিষদের অধীনে রয়েছে ওই রাস্তা। সংস্কারের আবেদন জানিয়ে আগেই জেলাপরিষদের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

অক্টোবর ১৯, ২০২২
রাজ্য

শহরে জিটি রোডে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত এক সিভিক ভলেন্টিয়ার

সাত সকালে সড়ক দুর্ঘটনা বর্ধমান শহরে। সোমবার সকালে জিটি রোডের বাদামতলায় ফুড কর্পোরেশন অফ ইণ্ডিয়ার একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুই ব্যক্তিকে ধাক্কা মারে। স্থানীয় মানুষজন গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যায়। ক্রেন এনে ট্রাকটিকে সরানো হয়। দুর্ঘটনার জেরে কার্জনগেটমুখী লেনে সাম্যীক ভাবে যান চলাচল ব্যাহত হয়। আহতদের মধ্যে একজন কর্মরত সিভিক ভলেন্টিয়ার।

অক্টোবর ১৭, ২০২২
রাজ্য

রেল-সড়ক অবরোধের ১০০ ঘন্টা পার, দাবিতে অনড় কুড়মি সমাজ

কুড়মি সমাজের স্পষ্ট দাবি, তপসিলি জনজাতিভুক্ত করতে হবে। রেল ও সড়ক অবরোধের ১০০ ঘন্টা পেরিয়ে গিয়েছে। তবু মেলেনি রফাসূত্র। রাজ্য সরকার ফের চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারকে। এই চিঠি আদৌ কার্যকর হবে কিনা তা নিয়ে সন্দিহান আন্দোলনকারীরা। রেল ও সড়ক পথ বন্ধ থাকায় স্বভাবতই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হাজার হাজার মানুষকে।পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়ায় অব্যাহত কুড়মি সমাজের লাগাতার বিক্ষোভ-অবরোধ কর্মসূচি। গত মঙ্গলবার থেকে বিক্ষোভ-অবরোধ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে কুড়মিরা। শনিবার তাঁদের লাগাতার এই আন্দোলন পাঁচ দিনে পড়ল। ১০০ ঘন্টা পার করেছে।পশ্চিম মেদিনীপুরের খেমাশুলি ও পুরুলিয়ার কুস্তাউর স্টেশনে গত পাঁচ দিন ধরে রেললাইনের উপর বসে-শুয়ে, মঞ্চ বেধে গান গেয়ে আন্দোলন চালাচ্ছেন কুড়মিরা। একটানা রেল রোকো কর্মসূচিতে প্রতি দিন দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ে বহু ট্রেন বাতিল করছে। বহু ট্রেনের গতিপথ বদল করতে বাধ্য হচ্ছে রেল কর্তৃপক্ষ। রেললাইনের পাশাপাশি একটানা অবরোধ চলছে জাতীয় সড়কেও। পশ্চিম মেদিনীপুরের খেমাশুলিতে ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন কুড়মিরা।জাতীয় সড়কে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে গত মঙ্গলবার থেকে গাড়ির লাইন পড়ে গিয়েছে। চরম হয়রনির শিকার হচ্ছেন গাড়িচালক-খালাসি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। খাবারের ভান্ডারে টান পড়েছে গাড়িচালক-খালাসিদের। রেল অবরোধের জেরে দক্ষিণ পূর্ব রেলওয়ে আড়াইশোর বেশি ট্রেন ইতিমধ্যেই বাতিল করেছে। বহু ট্রেনের যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। দাবি না মেটা পর্যন্ত আন্দোলন তুলবে না কুড়মিরা। তাঁরা জানিয়ে দিয়েছে, প্রশাসন বলপ্রয়োগ করুক বা গুলি করুক এক পা-ও পিছবে না।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটের আগে বড় সুখবর! বকেয়া ডিএ পেতে চলেছেন আরও হাজার হাজার কর্মী

সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা আগেই মিটিয়েছে রাজ্য। এবার সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মী এবং পেনশনভোগীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা ও অবসর ভাতা মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে খবর।নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বিষয়ে অর্থ দফতরের নেতৃত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠক থেকে জানা যাচ্ছে, নির্বাচনের আগে দ্রুত বকেয়া অর্থ মেটানোর জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন দফতরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কর্মীসংখ্যা এবং বকেয়া ভাতার বিস্তারিত তথ্য দ্রুত জমা দিতে।বিশেষ করে দুই হাজার আট সালের এপ্রিল থেকে দুই হাজার উনিশ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ভাতার হিসাব সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই তথ্য হাতে পেলেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দফতরের শীর্ষ আধিকারিকরা। শিক্ষা, পুর ও নগর উন্নয়ন, পরিবহন, পঞ্চায়েত-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের প্রতিনিধিরা এই বৈঠকে অংশ নেন। তাঁদের থেকেই প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে।এর আগে মার্চ মাসে রাজ্য সরকার কয়েকটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বকেয়া ভাতা মেটানোর কাজ শুরু করেছিল। সেই সময় সরকারি কর্মীদের একটি অংশ বকেয়া অর্থ পেলেও, পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের অনেক কর্মী এই সুবিধা পাননি।এবার সেই বাকি থাকা কর্মী এবং পেনশনভোগীদেরও বকেয়া ভাতা দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে সূত্রের খবর। ফলে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর অনেকেই তাঁদের প্রাপ্য অর্থ পেতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির সামনে সংঘর্ষ! রোড শোতেই চরম অশান্তি

ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিনই চরম উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে রোড শো চলাকালীন দুই রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়।ঘটনাটি ঘটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির গলির সামনে। সেখানে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে এগিয়ে আসতে হয় এবং পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয়।এ দিন রোড শো চলাকালীন তৃণমূল সমর্থকরা কালো পতাকা দেখিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পাল্টা স্লোগান দিতে শুরু করেন বিজেপি কর্মীরাও। দুই পক্ষের উত্তেজনা ক্রমেই বাড়তে থাকে।পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন অমিত শাহের কনভয় ওই এলাকায় পৌঁছয়। তখন জুতো ছোড়াছুড়ির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। উত্তেজনার মধ্যে কনভয় এগোনো কঠিন হয়ে পড়ে।এই পরিস্থিতিতে অমিত শাহকে কনভয় থেকে নেমে যেতে হয়। পরে তিনি একটি ছোট গাড়িতে উঠে ওই এলাকা পার হন। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।মনোনয়ন জমা দেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনে এই ধরনের ঘটনার জেরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় কড়া নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশ।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে বড় লড়াই! “মমতাকে হারাতেই হবে”—মঞ্চ কাঁপালেন অমিত শাহ

ভবানীপুর কেন্দ্রে আজ মনোনয়ন জমা দেবেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে সমর্থন জানাতে দিল্লি থেকে কলকাতায় এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। হাজরার সভা মঞ্চ থেকে তিনি সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে আক্রমণ করেন এবং পরিবর্তনের ডাক দেন।অমিত শাহ বলেন, দুই হাজার চৌদ্দ সালের পর যে সব রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠিত হয়েছে, সেখানে উন্নয়ন হয়েছে। এবার বাংলাতেও সেই পরিবর্তন দরকার। তিনি ভবানীপুরের ভোটারদের উদ্দেশে আবেদন জানান, শুভেন্দু অধিকারীকে বিপুল ভোটে জয়ী করতে। তাঁর কথায়, বাংলাকে নতুন করে গড়ে তুলতে হলে পরিবর্তন জরুরি।তিনি আরও বলেন, রাজ্যে দুর্নীতি, সিন্ডিকেট রাজ এবং অনুপ্রবেশ বেড়ে গিয়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের জীবন কঠিন হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় বিজেপি সরকার গঠন।অমিত শাহ দাবি করেন, মানুষ এখন পরিবর্তন চায় এবং ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোট দিতে চায়। তাঁর মতে, কোনও গুণ্ডা ভোটারদের আটকাতে পারবে না এবং সবাইকে সাহসের সঙ্গে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, শুধু পরাজিত করাই নয়, তৃণমূলকে সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে দিতে হবে।শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে তিনি বলেন, তিনি আগে অন্য জায়গা থেকে লড়তে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাঁকে বলা হয় ভবানীপুর থেকেই লড়াই করতে। তাঁর দাবি, এই কেন্দ্রে জয় পেলেই গোটা বাংলায় পরিবর্তনের বার্তা পৌঁছে যাবে।অমিত শাহ আরও বলেন, বাংলার মানুষ এখন নতুন সরকারের অপেক্ষায় রয়েছে এবং সীমান্ত সুরক্ষা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য বিজেপি সরকার প্রয়োজন। তিনি জানান, নির্বাচনের জন্য কিছুদিন তিনি বাংলাতেই থাকবেন এবং মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন।এ দিনের সভা থেকে ভবানীপুর-সহ একাধিক কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থন জানান তিনি। এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে এবং ভবানীপুরে লড়াই যে জমে উঠেছে, তা স্পষ্ট।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
রাজ্য

“কালিয়াচকের ঘটনা বিজেপির গেম প্ল্যান!” জনসভা থেকে কড়া আক্রমণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

মালদহের কালিয়াচকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাগরদিঘির জনসভা থেকে তিনি দাবি করেন, এই ঘটনা একটি পরিকল্পিত পদক্ষেপ এবং এর পিছনে বিজেপির ভূমিকা রয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, শীর্ষ আদালত এই বিষয়ে যা মন্তব্য করেছে তা সঠিক। একই সঙ্গে তিনি মানুষের কাছে আবেদন জানান, কোনও প্ররোচনায় পা না দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালাতে হবে।তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের অধীনে রয়েছে এবং মালদহের ঘটনার বিষয়ে তাঁকে কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, কিছু মানুষকে টাকা দিয়ে উত্তেজনা তৈরি করা হয়েছে, রাস্তা অবরোধ করা হয়েছে এবং বিচারকদের ঘিরে রাখা হয়েছে।তৃণমূল নেত্রীর অভিযোগ, এই ঘটনার মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাহত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর মতে, পরিস্থিতি এমন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে যাতে নির্বাচন বাতিল করে অন্য ব্যবস্থা নেওয়া যায়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষকে শান্ত থাকতে হবে এবং কোনও উসকানিতে পা দেওয়া চলবে না। তিনি সকলকে বাংলার শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং বলেন, পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে দেওয়া যাবে নাএই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কালিয়াচকের ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তার মধ্যেই এই অভিযোগ রাজ্য রাজনীতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
রাজ্য

কালিয়াচকের পর ফের উত্তপ্ত মালদহ! জাতীয় সড়ক অবরোধে তীব্র বিক্ষোভ

কালিয়াচকের ঘটনার পর মালদহে পরিস্থিতি এখনও অশান্ত। বুধবারের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুরাতন মালদহ ব্লকের মঙ্গলবাড়ি এলাকায় নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়াকে কেন্দ্র করে মানুষের ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তাঁদের কাছে সমস্ত বৈধ নথি থাকা সত্ত্বেও নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে পড়েন স্থানীয় মানুষ। জাতীয় সড়কের উপর টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ শুরু হয়। কয়েকটি জায়গায় বাঁশ ফেলে রাস্তা আটকে দেওয়া হয়েছে।এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সড়ক সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে এবং উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ চরম সমস্যার মুখে পড়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।এর আগের দিন কালিয়াচকে একই ইস্যুতে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা কয়েক ঘণ্টা ধরে সাতজন বিচারককে একটি সরকারি দফতরে আটকে রাখেন। তাঁদের মধ্যে মহিলা বিচারকরাও ছিলেন। দীর্ঘ সময় ঘেরাওয়ের পর গভীর রাতে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে।এই ঘটনার পরও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। বরং নতুন করে মঙ্গলবাড়ি এলাকায় বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে। পুরো বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
রাজ্য

কার্গিল যোদ্ধার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ! তীব্র চাঞ্চল্য

দেশের জন্য প্রায় তিরিশ বছর কাজ করেছেন, অংশ নিয়েছেন কার্গিল যুদ্ধেও। সেই প্রাক্তন সেনা জওয়ান আজাদ আলির নামই এবার ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তর চব্বিশ পরগনার বাদুড়িয়া এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।জানা গিয়েছে, রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা আজাদ আলি ওই এলাকার দুইশো নয় নম্বর বুথের ভোটার ছিলেন। দুই হাজার দুই সালের ভোটার তালিকায় তাঁর এবং তাঁর বাবা-মায়ের নাম ছিল। সমস্ত প্রয়োজনীয় নথিও তাঁদের কাছে রয়েছে। কিন্তু নতুন পরিপূরক তালিকা প্রকাশের পর তিনি দেখেন, তাঁর এবং পরিবারের আরও এক সদস্যের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন তিনি এবং তাঁর পরিবার। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, আজাদ আলি সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার পর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে অংশ নিয়েছেন। কার্গিল যুদ্ধের পাশাপাশি অপারেশন বিজয় এবং অপারেশন পরাক্রমেও তিনি যুক্ত ছিলেন। উনিশশো পঁচানব্বই সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন তিনি এবং গত বছরের অক্টোবর মাসে সুবেদার পদ থেকে অবসর নেন।আজাদ আলির বক্তব্য, দেশের সুরক্ষার জন্য তিনি সবসময় প্রস্তুত ছিলেন এবং জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন। অথচ এখন নিজের নাগরিকত্ব প্রমাণ করার পরও তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাঁর মতো যাঁদের কাছে এত নথি নেই, তাঁদের কী হবে।স্থানীয় আধিকারিক জানিয়েছেন, বিষয়টি তাঁদের কাছেও দুঃখজনক, কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী এখন তাঁকে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে হবে। অন্যদিকে রাজনৈতিক মহলেও এই ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। এক পক্ষের দাবি, প্রক্রিয়া সঠিকভাবেই চলছে এবং যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁরা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে আবেদন করলে সমাধান সম্ভব।এই ঘটনাকে ঘিরে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
দেশ

পাথরবৃষ্টি, ভাঙা কাচ, আতঙ্কে বিচারকরা! ঘটনায় রাজ্যের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট সুপ্রিম কোর্ট

মালদহের কালিয়াচকে সাতজন বিচারককে প্রায় আট ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। বুধবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত তাঁদের ঘিরে রাখা হয় এবং গভীর রাতে উদ্ধার করা হলেও ফেরার পথে তাঁদের গাড়িতে পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। গাড়ির কাচ ভেঙে সিটের উপর পড়ে বলে জানা গেছে।এই ঘটনার পর বিষয়টি শীর্ষ আদালতের নজরে আনা হলে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট জানান, তিনি এই ঘটনাকে রাজনৈতিক রং দিতে চান না, কিন্তু পুরো ঘটনাই অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাঁর কথায়, বিকেল থেকেই বিচারকদের ঘেরাও করা হয়েছিল, অথচ রাত পর্যন্ত কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, এই ঘটনায় প্রশাসনের আরও নজরদারি থাকা প্রয়োজন ছিল। তিনি আরও বলেন, কেউ দায় এড়াতে পারে না এবং বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সকলের দায়িত্ব। বিচারকদের দেওয়া নির্দেশ মানেই আদালতের নির্দেশ, সেটি রক্ষা করা জরুরি।আদালতে শুনানির সময় একাধিক আইনজীবী এই ঘটনাকে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগে বিচারকদের ভয় দেখানো হত, এখন তাঁদের উপর সরাসরি হামলা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।প্রধান বিচারপতি জানান, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে পাওয়া চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে যে, বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে বিচারকদের ঘিরে রাখা হয়েছিল। প্রশাসনকে জানানো হলেও রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পরে শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার পর উদ্ধার সম্ভব হয়। কিন্তু তারপরও তাঁদের গাড়িতে হামলা চালানো হয়।আদালত নির্দেশ দিয়েছে, যেখানে বিচারকরা কাজ করছেন সেখানে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। তাঁদের থাকার জায়গাতেও নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি বিচারকদের কোনও ধরনের হুমকি থাকলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে এবং তাঁদের পরিবারের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে।আদালত এই ঘটনাকে পরিকল্পিত বলে উল্লেখ করে জানায়, বিচারকদের মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে এবং তাঁদের কাজ বন্ধ করার উদ্দেশ্য ছিল। এই ধরনের ঘটনা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে জানানো হয়েছে।শীর্ষ আদালত আরও জানায়, রাজ্য প্রশাসন তাদের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করতে পারেনি এবং কেন যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তার জবাব দিতে হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের। এই ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত দ্রুত আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে তদন্তভার কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে দেওয়া হতে পারে।এই ঘটনার পর রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। আদালতের কড়া অবস্থানের পর এখন পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর সবার।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
দেশ

কালিয়াচক কাণ্ডে ক্ষুব্ধ শীর্ষ আদালত! জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে নোটিস

মালদহের কালিয়াচকে বিচারকদের ঘিরে ধরে রাখার ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ নিল দেশের শীর্ষ আদালত। এই ঘটনায় জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র সচিব ও রাজ্য পুলিশের সর্বোচ্চ আধিকারিকের কাছেও বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।বুধবার রাতে কালিয়াচকে তিনজন মহিলা সহ মোট সাতজন বিচারককে কয়েক ঘণ্টা ধরে ঘিরে রাখা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি শীর্ষ আদালতের নজরে আনা হলে প্রধান বিচারপতি ও বিচারপতির বেঞ্চে তা নিয়ে আলোচনা হয়। আদালত এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে।প্রধান বিচারপতি জানান, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে একটি চিঠি পাওয়া গেছে, যেখানে পুরো ঘটনার বিবরণ দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে বিচারকদের ঘিরে রাখা হয়। কিন্তু সেই সময় জেলাশাসক বা পুলিশ সুপার কেউই ঘটনাস্থলে পৌঁছননি।পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে ওঠে যে, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিজে থেকেই রাজ্য পুলিশের সর্বোচ্চ আধিকারিক ও স্বরাষ্ট্র সচিবকে ফোন করতে হয়। এরপর রাত বারোটার পর বিচারকদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়। কিন্তু সেখানেই শেষ নয়, বাড়ি ফেরার সময়ও তাঁদের গাড়িতে হামলা করা হয় এবং পাথর ছোড়া হয় বলে অভিযোগ।আদালত এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, এমন ঘটনা বিচারকদের মধ্যে ভয় তৈরি করতে পারে। আদালতের মতে, এই ঘটনা রাজ্য প্রশাসনের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতারই উদাহরণ।বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মন্তব্য করেন, এই ধরনের পরিস্থিতিতে প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া উচিত ছিল। তিনি বলেন, কমিশনকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে হবে এবং বিচারকদের কাজ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার জন্য সবরকম ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।আদালত আরও জানায়, আগেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তা সত্ত্বেও কেন যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তার জবাব সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের দিতে হবে।এই ঘটনার পর প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে এবং গোটা বিষয়টি এখন আদালতের কড়া নজরে রয়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal